বাউফলে এক নারী শিক্ষিকাকে যোগদানের ১২ দিনের মাথায় আবার বদলি

কামরুল হাসান, বাউফল(পটুয়াখালী)  আজকের ডাক | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, এপ্রিল ৯, ২০১৯ ৩:৩৯ অপরাহ্ণ  

পটুয়াখালীর বাউফলে এক নারী শিক্ষিকাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের ১২ দিনের মাথায় আবার পূর্বের কর্মস্থলে বদলি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নারী শিক্ষিকার নাম ছালমা বেগম। তিনি আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের শাপলেজা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) যোগদান করেছেন। ওই শিক্ষিকাকে গত ২৮ মার্চ  পূর্ব মহাশ্রাদ্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। (স্মারক নং ৫৩৫/৫ তারিখ ২৮/৩/২০১৯)

জানা গেছে, ছালমা বেগম তিন বছর শাপলেজা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে ২৮ মার্চ পূর্ব মহাশ্রাদ্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করেন। তিনি নতুন কর্মস্থলে ৭দিন পাঠদান করেছেন। সোমবার সন্ধ্যার সময়  কর্তৃপক্ষ তাকে পূর্বের স্কুলে যোগদানের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার তিনি ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। কি তার অপরাধ ? তিনি নিজেও জানেন না।

অপর দিকে কামাল হোসেন নামের এক সহকারী শিক্ষককে বগার কৌখালী  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সাবপুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। সরকারী বিধি অনুযায়ি কোন শিক্ষককে চাকুরীর বয়স দুই বছর উত্তীর্ণ না হলে তিনি বদলির আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু ওই শিক্ষকের চাকুরীর বয়স হয়েছে মাত্র এক বছর। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে তিনি ওই বিদ্যালয়ে বদলি হয়েছেন।

এ ছাড়াও  উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রিয়াজুল হক  বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের প্রায় শতাধিক শূণ্য পদে  বদলি বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী নির্দেশ অনুযায়ি এসব শূণ্য পদের বিপরিতে গ্রেটেশন তালিকা প্রস্তুত করে তা সংশ্লিষ্ট অফিসের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেয়ার নিয়ম থাকলেও শিক্ষা অফিসার সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে গোপনে ওই সব শূণ্য পদে বদলি অনুমোদন করিয়েছেন। বদলির ক্ষেত্রে কোন জেষ্ঠ্যতা মানা হয়নি।

এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রিয়াজুল হক সাংবাদিকদের বলেন  সব কিছু নিয়ম মেনে করা হয়েছে।

-এডি/এইচএ

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ