ভোলাবাসীর কাছে মোস্তাক শাহিনের মায়ের খোলা চিঠি

ডেস্ক রিপোর্ট  আজকের ডাক | প্রকাশিত: রবিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৯ ৪:১২ পূর্বাহ্ণ  

প্রিয় ভোলাবসি,
আসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদের সকলের প্রিয় মোস্তাক আহমেদ শাহিনের মা।আপনারা প্রায় সকলেই মোস্তাক শাহিনকে চিনেন জানেন। আপনারা জানেন দীর্ঘ দিন ধরে শাহিন ছাত্র ও আওয়ামীরাজনীতির সাথে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত। ছাত্রজীবনে ও একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।ওর বাবা একজন আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর স্কুল শিক্ষক ছিলেন। আমি এবং ওর বাবা শাহিনকে সবসময়ই সৎ পথে হাটতে শিখিয়েছিলাম। তিনি মৃত্যু সয্যায় শাহিনকে বলেছিল যে ও জেন সবসময় সৎ,আদর্শের পথে চলে এবং আন্যায়ের প্রতিবাদ করে। সেই আদর্শবান বাবা আদর্শের কথা মাথায় রেখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আনুপ্রানিত হয়ে এবং মাদার অফ হিউম্যানিটি বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে সৎ ভাবে আওয়ামী রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে হাটছিলো।ও দুই দুই বার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ও বাবা মায়ের আদর্শের কথা মাথায় রেখে স্থানীয় কিছু ক্ষমতাসীন মানুষের আন্যায়ের প্রতিবাদ করে। আর এই প্রতিবাদই ওর জীবনের শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। একের পর এক ষরযন্ত্রের শিকার হতে থাকে আপনাদের সকলের প্রিয় শাহিন। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়।সেই ষরযন্ত্রের শিকার হয়ে প্রায় সাড়ে তিন মাস পরে গত ২৫ মে কারামুক্তি পেয়ে আমার কোলে ফিরে এসেছিলো ভোলার বিপ্লবী অবিসংবাদিত নেতা আপনাদের ভালবাসার মোস্তাক শাহিন।এত দিন কারাগারে রেখেও ষরযন্ত্রের কমতি হয়নি ক্ষমতাসীন সেই মানুষগুলোর।আবারও সেই প্রতিহিংসার ও ষরযন্ত্রের শিকার শাহিন।প্রিয় ভোলাবাসি আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন কেন জানাযা থেকে তাকে গ্রেফতার করে মাদকের মত ঘৃন মামলা দেয়া হয়? এসবের কি কোন বিচার নেই? গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার দিকে মুসলিমপাড়া নিবাসী বা আমাদের পাড়া প্রতিবেশী ও আমার বোন সমতুল্য ওই বৃদ্ধার মৃত আত্তার শান্তির কামনায় তার জানাযায় আমিই ওকে পাঠিয়েছিলাম।আমি ওকে সবসময় আদেশ করতাম ও যেন সবসময়ই আসহায় ও গরিব দুঃখি মানুষের পাশে থাকে এবং সৎ কাজ করে। আপনারা জেনে দেখেন আমার ছেলে চুরি, ডাকাতি, মাদকদ্রব্যকে কোন প্রশ্রয় দিতনা। এখন সে নিজেই পর পর মিথ্যা ডাকাতি মামলায় ও মাদক মামলায় দুই দুই বার কারাগারে। আপনারা জেনে দেখেন শাহিন রাজনীতি করে কি করেছে। এখনও আমার বাড়িতে যেতে একটি বাশের সাকো ব্যাবহার করতে হয়। শাহিন রাজনীতি করে অর্থনৈতিক ভাবে কিছুই করেনি। আজ আর্দশবান বাবার আর্দশ ছেলের এই পরিনতি। ২০০১সালে আমার ছেলে কত নির্যাতিত হয়েছে তাও আপনার জানেন।আমার ঘরে পর্যন্ত আগুন দেয়া হয়। এখনও কি সেই রকম নির্যাতিত হতে হবে? এটাই কি রাজনীতি?মা হয়ে আর কত কি দেখতে হবে।আর কত চোখের পানি ঝড়াতে হবে? আর পারছি না…
আপনাদের সকলের কাছে আমার ছেলের জন্য দোয়া ও মুক্তি কামনা করছি।

-এডি/এইচএ

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ