‘মুক্তা পানি’র প্রচারণায় জাককানইবি শাখা ছাত্রলীগের রাজীব

মোঃফজলুল হক পাভেল,জাককানইবি  আজকের ডাক | প্রকাশিত: বুধবার, মে ৮, ২০১৯ ২:২১ অপরাহ্ণ  

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্ববানে সাড়া দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রাজীব এবার অংশ নিয়েছেন প্রতিবন্ধীদের দ্বারা উৎপাদিত দেশের সবচেয়ে নিরাপদ ”মুক্তা পানি”র প্রচারণায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তর,ক্যাফেটেরিয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আশেপাশের সকল দোকানে মুক্তা পানির সহজলভ্যতার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য,রেজিস্ট্রার,ছাত্র উপদেষ্টা সহ দোকানপাটগুলোতে চালিয়েছেন প্রচারণা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে প্রচারণা চালিয়ে সেখান থেকে নিয়েছেন ”মুক্তা পানি”র সর্বোচ্চ ব্যবহারের নিশ্চয়তাও।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রাজীব বলেন, ”মুক্তা ব্র্যান্ডের পানির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এর উৎপাদন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ যুক্ত প্রায় তিনশ’র অধিক প্রতিবন্ধী ভাই বোনেরা। তাদের দ্বারাই পরিচালিত হয় মুক্তা পানির কারখানা। পানির বিক্রয় থেকে যে লাভ হয়, তা সম্পূর্ণভাবে ব্যয় হয় প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে। এই পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন নেই, কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে শুরু করে সরকারী/ আধা-সরকারী/ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিসিয়াল পানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় মুক্তা ব্যান্ডের পানি।”

তিনি আরো বলেন, ”মুক্তা পানির বোতল হিসেবে কিছুটা অপরিচিত লাগতে পারে। সাধারণত রেস্টুরেন্টে, হোটেলে, দোকান এই পানির বোতল দেখা যায় না। দেখা যায় কোকা কোলা ব্র্যান্ডের কিনলে, দেখা যায় মাম, জীবন, একমি। কারণ এই সব ব্র্যান্ডের পিছনে খরচ হয় লক্ষ কোটি টাকার মার্কেটিং, প্রতিটি শহরের মহল্লায় মহল্লায় এদের ডিলাররা পৌঁছে গেছে। দেশীয় ব্র্যান্ডের মুক্তা সেখানে অনেক পিছনে।”

“পানি যখন কিনছিই, তখন আমাদের প্রতিবন্ধী ভাই বোনদের তৈরি দেশীয় ব্র্যান্ডের পানিটাই না হয় কিনি। আমরা যখন তৃষ্ণা মিটাচ্ছি, একজন স্বাবলম্বী প্রতিবন্ধীর মুখে তৃপ্ত হাসি ফুটে উঠছে, দৃশ্যটি কতই না মায়াময় ও সুন্দর!

এখন থেকে পানি ক্রয়ের সময় প্রতিটা দোকান সহ সবখানেই মুক্তা পানি যেন সংগ্রহে থাকে এবং সরবরাহ যেন করা হয় সে ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করবো এবং মুক্তা পানিই ক্রয় করবো।এই জেদটুকু,ইচ্ছাটুকুই যথেষ্ট এই উদ্দেশ্য সফল করতে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনের মান উন্নয়নে আপনি, আমি তথা আমরা সকলে মুক্তা পানির প্রচার করি। মুক্তা ড্রিংকিং ওয়াটার এর বিজ্ঞাপন হউক আমাদের প্রতিটি গণমাধ্যমগুলোতেও।”

-এডি/ এএ

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ