ভোলায় মুদি দোকানে মিলছে ইয়াবা! অপরাধীরা ধরা ছোয়ার বাইরে

নিজস্ব প্রতিবেদক  আজকের ডাক | প্রকাশিত: রবিবার, মার্চ ১০, ২০১৯ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ  

ভোলা, দৌলতখান ও বোরহান উদ্দিন এই তিনটি থানার সমন্বয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি বাজার খায়ের হাট। এক সময় রবিবার ও বুধবার হাটের দিনে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীরে জমজমাট ছিল এই বাজারটি, এখানে মাদক প্রবেশের পর এখন মৃতপ্রায় বাজারটি। এলাকার শিক্ষিত সমাজ এখন আর বাজারে আগের মতো যাতায়াত করেননা মাদক সেবি ও বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্যের কারনে।

অত্র এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট খলিলের হাত ধরে ইয়াবা প্রবেশ করলেও পরবর্তীতে কয়েকটি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় ইয়াবা ব্যবসা। তম্মধ্যে অন্যতম খায়ের বাজারের সোহাগ স্টোর, মূলতঃ এই সোহাগ স্টোর থেকেই পাইকারি ও খুচরা বিক্রি হয় ইয়াবা। প্রত্যেক ইয়াবা পাইকারদের আবার একাধিক এজেন্ট রয়েছে, তারমধ্যে সোহাগ স্টোরের মালিক সোহাগের এজেন্ট হলো- আলম।

৪নং ওয়ার্ডের আব্দুল হক মিস্ত্রির ছেলে আলম, এই আলমের মাদকবিক্রির স্পটগুলো হলোঃ লঞ্চঘাট, বালুর মাঠ, গরুর হাট ও সিরাজ মাঝির এলাকা। সোহাগ সারাদিন পাইকারি ও খুচরা বিক্রির পাশাপাশি সন্ধ্যার পর থেকে খুচরা বিক্রি করে, সোহাগের নির্ধারিত মাদকস্পট হলো খায়ের হাট হাসপাতালের পূর্বপাশে।

কে এই সোহাগ?

দক্ষিন জয়নগর ইউনিয়নের অন্তর্গত ৪নং ওয়ার্ডের মালের বাড়ির আব্দুল মালেকের ছেলে সোহাগ। এক সময় কুখ্যাত সিরাজ মাঝি গ্রুপের হয়ে নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিল সোহাগ, স্থানীয় জনতা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সিরাজ মাঝির পতনের পর তার সাঙ্গপাঙ্গরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে, খোলস পাল্টে নতুনভাবে অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে।

 

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ