বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার দাশুড়িয়ায় দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুস সামাদ সুলভ মালিথা এক সংবাদ সম্মেলনে ঈশ্বরদী বিএনপির সাবেক নেতা শামসুদ্দিন আহম্মেদ মালিথা ও জাকারিয়া পিন্টু গংয়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সুলভ মালিথা বলেন, “গত ১ আগস্ট ঈশ্বরদী বিএনপির একাংশের সভায় এবং ৩ আগস্ট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদ্য কারামুক্ত মজলুম জননেতা শরিফুল ইসলাম তুহিন ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক, হিংসাত্মক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ বানোয়াট।”
তিনি বলেন, “২০০৩ সালে যুবলীগ নেতা আব্দুল খালেক মেম্বার হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তুহিনসহ ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তুহিন নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে দীর্ঘ ২২ বছর পর কারামুক্ত হয়েছেন।” সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, কারামুক্তির পরপরই শামসুদ্দিন গং আবারও নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, “তুহিন কখনো হত্যার রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না। বরং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।” হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর শামসুদ্দিন মালিথার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে যেভাবে ষড়যন্ত্র করে ধানের শীষ প্রতীক পোড়ানো ও ঝাড়ু মিছিল করা হয়েছিল, তাতে প্রমাণ হয় এরা কখনোই দলের প্রতি আন্তরিক ছিলেন না।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি দাশুড়িয়ায় বিএনপি নেতা মনোয়ারুল ইসলাম হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের জোর দাবি জানান।
তিনি বলেন, “শরিফুল ইসলাম তুহিন ও হাবিবুর রহমান হাবিব জনগণের ভালোবাসা নিয়ে রাজনীতি করেন, কোন ষড়যন্ত্র তাদের থামাতে পারবে না। বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক পান্জু রহমান সরদার, সদস্য সচিব মইনুল ইসলাম সরদার, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভাষা প্রামানিক, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রোকেয়া হাসেম, সাধারণ সম্পাদক চামেলি আক্তার, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মানারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল ইসলাম পন্ডিত, অনিক খন্দকার, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ডালিকি, সদস্য সচিব বিপুল মোল্লা, ইউনিয়ন কৃষকদলের আহবায়ক মহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শহীদ মন্ডল, উপেজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম লাকি, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক মন্ডল, ঈশ্বরদী উপজেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমেদ পলাশ, ছাত্রদল নেতা জীবন মোল্লা, মেরিদুল ইসলাম, আকাশ খান প্রমুখ সহ ঈশ্বরদী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অঙ্গসংগঠনের আহবায়ক, সদস্য সচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
