ঢাকাবুধবার , ৮ মে ২০২৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাবনা পবিস-১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিস নানা অনিয়মে ভরপুর

আজকের ডাক - সম্পাদক ও প্রকাশক
মে ৮, ২০২৪ ৬:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ার করুন...

পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতির কার্যক্রমে দিশেহারা গ্রাহকরা। অভিযোগ উঠেছে, বারবারই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসের লোকজন গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন অতিরিক্ত বিলের কাগজ। টাকা পরিশোধ করেও মিলছে না মুক্তি। কারাভোগ করাসহ নানা ধরণের ভোগান্তি পোহাচ্ছে গ্রাহকেরা। আবার নতুন সংযোগ নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। তাছাড়া মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ, বিদ্যুতের বিভিন্ন রেইটের কারসাজিতে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে ব্যপক অর্থ।

ঈশ^রদী উপজেলার শেখেরদাইড় গ্রামের মৃত আব্দুল গাফ্ফার এর ছেলে শফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৫ সালের ২৮,৩৯৭/- টাকার বিল বাকী রেখে ২০২১ সালে মারা যান আমার বাবা। ২০২৪ সালে ফেব্রæয়ারি মাসে এসে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দাশুড়িয়া জোনাল অফিস থেকে আমার নিজ নামের বিলের কাগজে যুক্ত করে দেয় বাবার বাকী রাখা ২৮,৩৯৭/- হাজার টাকা। যার ফলে আমার বিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫২১৩/- টাকা।

শরিফুল ইসলাম আরো জানান, একই মাসে আমার আরেক ভাই মহিদুল ইসলামকেও বাবার বিল পরিশোধ করার জন্য তার বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে বাবার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ২৮,৩৯৭/- হাজার টাকা যোগ করা হয় এবং তার বিলের সাথে আরো ভূতরে বিল যোগ করে ধরিয়ে দেওয়া হয় ৯১০৫৫/- টাকার বিল। বিল না দেওয়ায় বিচ্ছিন্ন করা হয় দুই ভাইেয়ের সংযোগ।

নওদাপাড়া গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক শাহিন হোসেন জানান, আমার সাথেও ঘটে একই ঘটনা। তিনি জানান, বকেয়া বিলের কারণে আমার নামে মামলা হলে আমি উক্ত ১৩৮৮৮ টাকা পরিশোধ করলেও চার মাস পর পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায়। এভাবে আমাকে হয়রানি করা হয়।
অপর দিকে সরাইকান্দি গ্রামের কতিপয় বিদ্যুৎ গ্রাহক জানান, আমাদের মাত্র কয়েকশত টাকা বিল বকেয়া থাকার কারণে আমাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরবর্তীতে সংযোগ নিতে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। অথচ আমাদের পাশর্^বর্তী রশিদ গ্রæপের রশিদ পেপার মিলের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ৪ কোটি টাকারও বেশি। পেপার মিলের বিরুদ্ধে তো কোন মামলা হয়নি, গ্রহণ করা হয়নি টাকা আদায়ের পদক্ষেপ।

কতিপয় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণকারী ব্যক্তি বলেন, পল্লী বিদ্যুতের দাশুড়িয়া জোনাল অফিস চলে দালালদের হাতের ইশারায়। দালাল ধরা ছাড়া মিলেনা নতুন সংযোগ। এমনকি পুরাতন সংযোগে কোনো সমস্যায় পড়লেও হতে হয় দালালদের স¦রনাপন্ন। দালালদের সাথে জড়িত অফিসের বেশ কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারী।

এ বিষয়ে জানতে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ০১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসে সংবাদ কর্মীরা গেলে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি সমিতির শীর্ষ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন।

উল্লেখ্য, ১ বছর আগে এই অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমানের হাতেনাতে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তাকে বরখাস্ত করা হয়।


শেয়ার করুন...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!