স্টাফ রিপোর্টার:
নাটোরের লালপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে তিন জন আহ হয়েছে।
শুক্রবার (৫জুলাই২০২৪) রাত ৮টার সময় লালপুর উপজেলা মোড়ে বাবলুর পানের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বৈদ্যনাপুর গ্রামের ফরজ আলীর ছেলে আজগর আলী (৫০), রিপন আলী (৪৫) ও মসলেম (২২)।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায় লালপুর শহিদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বীন ইসলামকে মারপিট করেন বিবাদীরা। রাত ৮টার সময় আজগর আলী উপজেলা মোড়ে বাবলুর পানের দোকানের সামনে দ্বীন ইসলামকে কি কারণে মারা হয়েছে বিষয়টি জানতে চাইলে বিবাদীগণ অতর্কিত ভাবে হাসুয়া, লোহার রড, কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। এসময় রিপন আলী ও মসলেম তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারপিট করেন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভর্তি করেন। বর্তমানে আজগর আলী লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এবিষয়ে আজগর আলী জানান বাবলুর পানের দোকানের নিকট আমার ভাতিজা দ্বীন ইসলামকে স্ট্রেডিয়ামে মারপিট করার কারণ জানতে চাইলে ফিরোজ আল হক ভূইয়া ও তার ভাই ফরহাদ হোসেনসহ পাঁচ থেকে সাত জন অতর্কিতভাবে হাসুয়া, লোহার রড, কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। এসময় আমার ভাই রিপন ও মসলেম আমকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাদেরকে মারপিট করে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এবিষয়ে ফিরোজ আল হক ভূইয়া বলেন আমার জানামতে লালপুর থানায় কোন অভিযোগ হয়নি ওরা বিএনপিপন্থী লোকজন আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে বসে চা খাইতে ছিলাম, এ সময় এসে অতর্কিত হামলা করে, তাদেরকে স্থানীয় লোকজন প্রতিহত করে ওই সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া পাল্টা হয় পরে জানতে পারি আহত হয়েছেন। ওদের উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর করার।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছিম আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসি নাই। অভিযোগ আসলে আমরা ঘটনা তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
