(ঈশ্বরদী-পাবনা) প্রতিনিধি:
নতুন কারিকুলামে ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়নে গতকাল শনিবার ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি, সপ্তম শ্রেণির শিল্প ও সংস্কৃতি, অষ্টম শ্রেণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নবম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। পরীক্ষার আগের রাতে পাবনার ঈশ্বরদীতে সব শ্রেণির প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রশ্ন কীভাবে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ডাউনলোড করার সক্ষমতা শুধু প্রধান শিক্ষকের হাতেই রয়েছে। তার দেওয়া পাসওয়ার্ড ছাড়া এই প্রশ্ন ডাউনলোড করা সম্ভব না। তবুও কীভাবে প্রশ্ন বাহিরে যাচ্ছে সে বিষয়ে কিছুই জানেন না এম. এ. গফুর মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকবর আলী।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আরিফুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান শুক্রবার রাতে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্ন দেখে বিদ্যালয়কে সনাক্ত করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশ্ন বাহিরে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম জানান, আমি তো সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারি না, তবে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করবো। তার বিরুদ্ধে অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আর কোন পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেখুন প্রশ্ন যে পদ্ধতিতে শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে তাতে বাহিরে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। তবে এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেই প্রতিষ্ঠানকে সনাক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এটি দ্রুতই কমে যাবে।
প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। তবে কীভাবে প্রশ্নফাঁস হয়েছে তা বলতে পারছি না। আমার পাসওয়ার্ড অন্যরা পেয়েছে কিনা তাও বলতে পারছি না। তবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আইসিটি মাসুদা খাতুনের সহযোগীতায় রুপপুর জয়েন উদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আইসিটি মোঃ জামাল উদ্দীন সুজন প্রশ্নফাঁস করে।
এ দিকে ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ঈশ্বরদী থানায় দুই জন শিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ করেন এম. এ. গফুর মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকবর আলী।
