ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নের খয়েরবাড়িয়া গ্রামে ‘ওহি মৎস্য এন্ড পোল্টি ফার্মে’ প্রশিক্ষণ বিহিন ব্যক্তিদের দ্বারা ফাউল কলেরার চিকিৎসা দেওয়ায় খামারীর প্রায় পাঁচ শতাধিক লেয়ার মুরগীর মৃত্য হয়েছে এবং পঁচিশ শতাধিক মুরগী আশংখাজনক অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার (২ জুলাই ২০২৫) সন্ধায় ভ্যাকসিন প্রদানকারী ব্যক্তির শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী খামারী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খামারের মালিক সাইফুল ইসলাম পন্ডিত বলেন, গত ২৯ জুন ২০২৫ আমার খামারে ৩০০০ হাজার লেয়ার মুরগীর ফাউল কলেরার ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পাবনার চাটমোহর বি গুয়াখোরা গ্রামের মো. নবীর উদ্দিন এর ছেলে চিকিৎসক মো. শরিফুল ইসলামের সাথে কন্টাক করলে সে নিজের কাছে থাকা সরকারি ভ্যাকসিনসহ তিন জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর দ্বারা আমার মুরগীর ভ্যাকসিন প্রয়োগ করায়। আর এতেই মুরগীগুলোর হাড় ছিদ্র হয়ে প্যারালাইসিস হয়ে ইতোমধ্যে ৫০০ শতাধিক মুরগী মারা গেছে হাজার খানেক অসুস্থ এবং অবশিষ্ট মুরগি কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে।

খামারী সাইফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, মোট মুরগী যদি ঝরে যায় তবে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হবে। আমি উক্ত চিকিৎসক মো. শরিফুল ইসলামের কাছে আমার ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। এবং এবিষয়ে ঈশ্বরদী থানা কর্তৃপক্ষকে অবগত করছি। ডাক্তারের সহযোগিদের আমার এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হেফাজতে রেখেছি। পুলিশ আসলে তাদের কাছে হস্তান্তর করব অথবা দায়ী ব্যক্তি আসলে তার সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একই এলাকার সাবান আলী, খামারী আবু জাফর নুরী, পল্লী চিকিৎসক ডাঃ কামাল হোসেন, আব্বাস আলী খান, বাবু শেখসহ প্রায় শতাধিক এলাকাবাসী।
