ঈশ্বরদীতে টক অব দ্যা টাউন-এ পরিনত হয়েছে পাবনা ডিবি পুলিশের সাবেক ওসি ও ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ড নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এমরান মাহমুদ তুহিন ও রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কুমার । নৌপথের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কাকন বাহিনীসহ আওয়ামী লীগের স্বশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান নৌ ওসি এমরান মাহমুদ তুহিন বিরুদ্ধে। অপর দিকে বালি মহলের সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনে সহায়তা ও বিভিন্ন যানবাহন থেকে মাসিক মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কুমার এর বিরুদ্ধে। অবিলম্বে এই দুই অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যাহার করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আলোচিত-সমালোচিত তুহিনকে বিএনপি, জামায়াত ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের নির্যাতন এবং হয়রানিসহ নানা অভিযোগে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে বদলি করা হয়। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে রহস্যজনকভাবে গুরুত্বপূর্ণ রুপপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে পদায়ন করা হয়। পদায়নের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের স্বশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
অপর দিকে রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়নের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ- মাদক মামলায় ফাসানো, অহেতুক গাড়ীর ড্রাইভারদের হয়রানি, আসামী ধরে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া, মোটর সাইকেল চালকসহ ক্ষুদ্র যানবাহনের চালকদের সবসময় হয়রানি করাই যেন তার পেশা।
ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু অভিযোগ করেন, ‘ডিবি পুলিশের ওসি থাকাবস্থায় এমরান মাহমুদ তুহিন বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নির্যাতন করেছেন। তারপর তাকে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের স্বশস্ত্র গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য তাকে লক্ষীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে নিয়ে আসা হয়। আওয়ামী সন্ত্রাসী কাকন বাহিনীর সঙ্গে তুহিনের অনেক দিনের সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের সূত্রে বিএনপির কিছু নেতার যোগসাজসে তুহিনকে লক্ষীকুন্ডায় নিয়ে আসা হয়। তিনি আরো বলেন, নয়ন কুমার ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকায় ঘুষের বিনিময়ে বালি সন্ত্রাসীদের সহয়তা করে আসছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লক্ষীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এমরান মাহমুদ তুহিন ও রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কুমারের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
