পাবনা প্রতিনিধি :
র্যাব-১২ এর অধিনায়ক (সিইও) মারুফ হোসেন বদলি আদেশের পরও সে সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক হেডকোয়ার্টারে অবস্থান করতেছে । বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উপর গুলি করা প্রথম আসামি, যার গুলিতে দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে ১নং আসামী সাবেক চেয়ারম্যান সাঈদ এবং সাবেক এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্সসহ স্বৈরাচারী সরকারের নেতাকর্মীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে, শুধুমাত্র এইসব স্বৈরাচারী সহযোগী অফিসারদের জন্য।
র্যাবের অধিনায়ক মারুফ হোসেন অতি দ্রুত সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক হেডকোয়ার্টার থেকে চলে গেলে র্যাবের অভিযান পরিচালনা আরো বেগমান হয়ে উঠবে এমনটাই আশা করছেন ছাত্র জনতা।
উল্লেখ্য, র্যাব-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, এক নাগাড়ে দীর্ঘদিন ধরে সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক হেডকোয়ার্টার কর্মরত থাকাকালীন স্বৈরাচারীর সহযোগী হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি ছাত্র-জনতার উপর হামলার নেতৃত্ব সহ আন্দোলনের অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার, গুম, নির্যাতন ও টার্গেট কিলিং এর জন্য তাদের শনাক্ত করে রিপোর্ট তৈরি করেছিল এবং ছাত্র-জনতা আন্দোলনে হামলায় মামলার আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে গড়িমসি করছে এমনটাই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বাংলার জনতা ডটকম তা তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করে।
সংবাদ প্রকাশের পর কতৃপক্ষের দৃষ্টিতে আসে সেই সংবাদ। ১৫ সেপ্টেম্বর (রবিবার) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখার জারিকৃত, সিনিয়র সহকারী সচিব হাবিবুল হাসান এর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বদলি আদেশ প্রকাশ করা হয় ।
সেই প্রজ্ঞাপনে দেখা যায় অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, কে র্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অধিনায়ক থেকে নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে বদলি করা হয়েছে ।
এই বদলী আদেশ প্রকাশের পরও যে তিনি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক হেডকোয়ার্টারে অবস্থান করছে কিভাবে তা ছাত্র সমাজ ও জনমনে এক প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। তাই অতি দ্রুত সে সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক হেডকোয়ার্টার থেকে চলে গেলে এসব কুখ্যাত ও হত্যা মামলার আসামীদের ধরা সহজ হবে মনে করছে ছাত্র জনতা।
এবিষয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাবনা জেলা সমন্বয়কের সদস্যরা বলেন, আমরা র্যাব-১২ অধিনায়ক মারুফ হোসেন‘র বদলীর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের সাথে কথা বলেছি। আশা করছি এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
