ঈশ্বরদী(পাবনা) প্রতিনিধি:
ঈশ্বরদী পৌর এলাকার শৈলপাড়া রেলওয়ে অবসরপ্রাপ্ত করিম ড্রাইভারের অত্যাচারে হাত থেকে বাঁচতে চাই ফিরোজা ও তার স্বামী সন্তান ও ভাতিজা সিহাব, সাংবাদিকদের সামনে ফিরোজা বলেন, আমরা গরীব মানুষ সাধারণভাবে জীবন যাপন করতে এই অত্যাচারের হাত থেকে আপনাদের সংবাদ লিখনের মাধ্যমে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার যাতে হয় সেই দাবি জানাচ্ছি। আমি ২০০৬ সালে আমার ছোট ভাই বজলুর রহমান এর কাছ থেকে (আড়াই কাঠা) জমি ক্রয় করি এবং এখানে বাড়ী নির্মাণ করি ২০০৯ সালে। আমাকে ফুসলিয়ে বাড়ি করান পিছনে।
২০১২ সালের দিকে আমার ভাই সামনে বাড়ী করিয়া আমার ভাতিজা শিহাবকে না দিয়ে সম্পূর্ণ বাড়ী দুই মেয়ের নামে লিখে দেয়। অন্যায় ভাবে আমাকে আমার স্বামীকে পুলিশে ধরিয়ে দেন। আমার ভাতিজা সিহাব কে করিম ড্রাইভার ও তার ভাই ভাইসতি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। আবার আমাদের বিরুদ্ধে দুইটা মিথ্যা মামলা করেছেন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আমার বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীদের দিয়ে রাস্তা ইটের পাঁচিল তুলে দিয়ে বন্ধ করে দেন। এই পাঁচিল আমরা ভেঙে দিয়ে চলাচল করছি। এর কারণে ঈশ্বরদী থানায় আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাবসহ চার পাঁচ জনকে আসামি করে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা যায়।
আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাব কে নিয়ে গত ১৯ আগস্ট মেহেদী হাসান এর ফেসবুক আইডি থেকে ‘‘আমাদের প্রিয় ঈশ্বরদী’ গ্রুপে আমার ভাতিজাকে মাদককারবারী, মাদকাশক্ত, লুটপাটকারী বলে পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বোঝায় যায় উক্ত পোস্টদাতা আব্দুল করিম ড্রাইভার। আপনার জানেন আমার ভাতিজা শিহাব মাদক তো দুরের কথা একটি সিগারেট পর্যন্ত খায়না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
উল্লেখ্য যে, আমার ভাই আব্দুল করিম ড্রাইভার ২০০৭ সালে চট্রগ্রামে অসুস্থ হলে আমি এবং আমার ভাতিজা শিহাব প্রায় ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ঢাকা থেকে রিং পরিয়ে নিয়ে আসি।
আসলে ঐ দিন লুটপাটের কোন ঘটনায় ঘটেনি। সাংবাদিকবৃন্দের কাছে আমার আকুল আবেদন আপনাদের সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি জানাচ্ছি।
