ঢাকাবুধবার , ২৮ আগস্ট ২০২৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাংবাদিকতা ও প্রেসক্লাব নিয়ে কিছু কথা: হাফিজুর রহমান

আজকের ডাক - সম্পাদক ও প্রকাশক
আগস্ট ২৮, ২০২৪ ৬:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ার করুন...

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকদের বলা হয়েছে সাংবাদিকরা জাতির বিবেক সমাজের দর্পণ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতায় সকল নীতিমালার মধ্যেই সাংবাদিকদের কল্যাণ নিহিত রয়েছে। সমাজে সব অনাচার অনিয়ম অভাব অভিযোগ উন্নয়ন সম্ভাবনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে একটি দেশকে একটি রাষ্ট্রকে দুর্নীতি মুক্ত করে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে আমরা সেই সাংবাদিকতাই করতে চাই ঈশ্বরদীতে যে সকল সংবাদকর্মী রয়েছে আসলে তারা কি চাচ্ছে এটা কিন্তু প্রশ্ন?

সংবাদকর্মীর কথাগুলো শুনবে কে আমরা শুধু কাদা ছোড়াছুড়ি করে যাচ্ছি সমাধান করা দেখভাল করার কোন সংবাদ কর্মীকে দেখছি না। হয়তো কেউ দেখার বিষয় মনে করছে না বলে মনে করি। প্রেসক্লাবের বাহিরে যারা আছেন তারা কি সাংবাদিক নয় তাদের পত্রিকা কি দেশের কথা জনগণের কথা লেখা হয় না অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যখন লাভজনক হয়ে গড়ে ওঠে। নেই কোন অর্থের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান কর্তাব্যক্তিরা যখন দুর্নীতি অনিয়মের সিঁড়ি বেয়ে অনেক উপরে ওঠার সুযোগ পেয়ে যায় তখন নিজ পেশার সহকর্মীদের অধিকার তো দূরের কথা প্রাপ্য সম্মান মর্যাদাটুকু হরণ করে বলা হয়। এরা কি সাংবাদিক যে সকল সাংবাদিক আর্থিক সংকটে ছিল, ঈশ্বরদীতে অনেক সাংবাদিক অসুস্থ হয়েছে প্যারালাইসিস হয়ে আছে অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছিল না তারা কেউ আবেদন করে কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা-পয়সা পায়নি। যারা সচ্ছল ক্ষমতার কাছাকাছি ছিল তারা একাধিক ভাবে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছে। এ বৈষম্য দূর করতে ঈশ্বরদীর সকল স্তরের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে মনে করি।

তৎকালীন সরকারের সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের কোটি কোটি টাকা শুরু থেকে বিদায় লগ্ন পর্যন্ত যারা ভোগ করেছেন দালালি, চামচামি; চাটুকারিতা করে সুযোগ সুবিধা নিয়ে ছাত্র-জনতার সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত ছিল এরা সকলেই প্রেসক্লাবের কর্তাব্যক্তিরা পট পরিবর্তনের সাথে সাথে দলীয় টেক পরিবর্তন করে বিএনপি ও ছাত্রদের আপনজন সেজে তাদের কোলে ওঠে পুরনো সুবিধার স্থান দখলে রাখতে নানা কটকৌশল গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে। এই প্রেসক্লাবের একাধিক ব্যক্তি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন, এই প্রেসক্লাবের বাহিরে দুই শতাধিক সাংবাদিক রয়েছে, যেখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণ হয় ২০৮ তাহলে অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তারা দিনরাত পরিশ্রম করে সংবাদ সংগ্রহ করে নিজ নিজ গণমাধ্যমে প্রকাশের ব্যবস্থা করে কিন্তু নেই কোন অর্থের ব্যবস্থা নেই বিজ্ঞাপন, ঈশ্বরদীতে অনেক সংবাদকর্মী রয়েছে তাদের জীবন জীবিকা সাংবাদিকতা করেই তাদের পরিবার-পরিজন চলে, ঈশ্বরদীতে প্রায় পাঁচটি প্রেসক্লাব রয়েছে স্থানীয় প্রেসক্লাবের বাহিরে যারা সংবাদকর্মী রয়েছেন তারা অনেকেই যে সকল প্রেসক্লাব রয়েছে কোন না কোন প্রেসক্লাবের সদস্য রয়েছেন।

আপনারা যারা সংবাদ কর্মী রয়েছেন অবশ্যই সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জাতির দর্পণ সংবাদপত্রকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান কষ্ট করে ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন। আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী রয়েছে তারা নাকি বলেন ঈশ্বরদীতে সাংবাদিকরা হোটেল খুলে বসেছে এই কথাটা কতটুকু সত্য অথবা আপনাদের বিবেকে কতটুকু ধাক্কা দেবে জানিনা, তরুণদের নিয়ে আপনাদের মন্তব্য এত খারাপ কেন তারা কখনো আপনাকে অসম্মানী করে না, তাদের যোগ্যতা নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।

 

সাংবাদিকরা ভাতের হোটেল খুলে বসে নাই, যারা প্রেসক্লাব নিয়ে বসে আছেন অবশ্যই জাতির বিবেক তাদেরকে নিয়েই সেই প্রেসক্লাবে অথবা সংগঠন লালিত-পালিত করেন, যারা বলে এই সব কথাগুলো ঈশ্বরদী বাসি জানে কারা প্রকৃত দালাল দালালি করে চলে তরুণরা কারুর চাটুকারি ও দালালি করে না তারা জাতির দর্পণ সংবাদপত্রকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সেই লক্ষ্যে কাজ করেন, যারা তরুণদের অবহেলিত অবস্থায় দেখেন তাদেরকে বলব আসুন আপনারা বড় ভাই সিনিয়র আপনাদেরকে শ্রদ্ধার সম্মান করি আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি না করে সঠিক সংবাদ লিখনের মাধ্যমে জাতির পরাধীনতার শৃঙ্খলা ভেঙে একটি সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, ইয়াবা মুক্ত, সোনার বাংলাদেশ গড়ি।

লেখক: হাফিজুর রহমান হাফিজ

সংবাদকর্মী ও সভাপতি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরদী উপজেলা শাখা।


শেয়ার করুন...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!