দুই লাখ টাকা ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আটঘরিয়ায় ভুয়া এনজিও “শক্তি জনসেবা সমাজকল্যাণ সংস্থার”খপ্পরে পরে প্রায় শতাধিক গ্রাহক সর্বস্ব হারিয়ে এখন সুবিচার চেয়ে হন্য হয়ে ঘুরছেন। এদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা রাবেয়া বসরি, ফরিদা খাতুন, স্বপনা খাতুন জানান প্রতি সদস্যদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে
প্রতিটি গ্রাহকের কাছ থেকে সঞ্চয় বাবদ ১৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে।
তাদের অফিসের কথা জিজ্ঞেস করলে সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হকের বাসা দেখিয়ে বলে ভাড়া নিয়েছি।
আদৌ উক্ত বাসা ভাড়া নেয় নেই। প্রতারণা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে।
ভুক্তভোগী রাবেয়া বসরি,, ফরিদা খাতুন, স্বপনা খাতুন সহ অনেকেই বলেন, আটঘরিয়া পল্লী বিদ্যুৎতের সাব জোনাল অফিসের সামনে সঞ্জয় পুর গ্রামে উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহুরুল হকের তয়তলা বাসা বাড়ি ভাড়া না নিয়ে অফিস দেখায় “শক্তি জনসেবা সমাজ কল্যান সংস্থা নামক একটি ভুয়া এনজিও।
শক্তি জনসেবা সমাজ কল্যান নামক ভুয়া এনজিও একজন ম্যানেজার ও একজন মাঠকর্মী সেজে বিভিন্ন গ্রামে এসে যেখানে আশা,ব্র্যাক এনজিওর কর্মী এসে কিস্তি তোলে সেখানে এসে সুকৌশলে তারা” শক্তি জনসেবা সমাজ কল্যান সংস্থা নামক এই এনজিওর পরিচয় দেয়”।
তারা আরও বলেন, আপনারা আমাদের এই এনজিওতে ভর্তি হয়ে ১৮ হাজার টাকা জমা দেন। আমরা আপনাদেরকে এক সপ্তাহের মধ্যে ২ লাখ টাকা করে ঋন দেবো।
আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ ২ লাখ টাকা ঋণ পাওয়ার আশায় তাদের কথা মতে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে প্রত্যেক সদস্যই ১৮ হাজার টাকা করে তাদের কাছে জমা দেই।
পরে ওই অফিসে এসে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। এবং খোঁজ খবর নিয়ে দেখি প্রতারণা ফাঁদ পেতেছে। অফিস ভাড়া নেয় নেই।
এভাবে এলাকার অনেক সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার বীজ বুনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। আমরা এখন কি করব,আমাদের মত সহজ সরল মানুষের কি হবে। আমরা কি এই টাকা পাবো না।
আমরা এই ভুয়া এনজিও ও প্রতারক চক্রের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই। তাই আমাদের দাবি প্রশাসন কাছে এই প্রতারক চক্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
তবে পাস বইয়ের-গণপ্রজাতন্তী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, গর্ভ:রেজি নং-২৫৪/২০২১৭ ইং, প্রধান কার্যালয় : সেক্টর ১১, রোড ১০, হাউজ ৫, উত্তরা ঢাকা লেখা রয়েছে।
এবিষয়ে আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, মৌখিক ভাবে অভিযোগ পেয়েছি। খোজখবর নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন ভুক্ত ভোগীদের।
ফজলুর রহমান খান
আটঘরিয়া
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
