ঢাকারবিবার , ২৩ মার্চ ২০২৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২১ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন কলেজ শিক্ষক, পাবেন পুরো পাওনাদি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মার্চ ২৩, ২০২৫ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ার করুন...

দীর্ঘ ২১ বছর পর চাকুরী ফিরে পেলেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব  আজমল হোসেন সুজন। তিনি   উপজেলার দাশুড়িয়া ডিগ্রী কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক পদে পুনর্বহাল হয়েছেন। গত ১৮ মার্চ তিনি কলেজের উপস্থিতি খাতায় স্বাক্ষর করে স্বপদে পুনঃবহালের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে দাশুড়িয়া ডিগ্রী কলেজের তৎকালীন কলেজ পরিচালনা কমিটি ও কলেজের অধ্যক্ষ কলেজে ৯ দিন বিলম্বে উপস্থিত হওয়ার কারণ দেখিয়ে আজমল হোসেন সুজনকে  চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেন। পরবর্তীতে এ নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেও আজমল হোসেন সুজন তৎকালীন সময়ে চাকুরি ফিরে পাননি। ২১ বছর পর তিনি পুনরায় এ বিষয়টি তদন্তের জন্য বর্তমান পরিচালনা কমিটির (গভর্নিং বডি) নিকট আবেদন করেন। পরিচালনা কমিটি এ বিষয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট প্রেরণ করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা কলেজে এসে এ বিষয়টি তদন্ত করেন। আজমল হক সুজনের কোন ভুল বা দোষ না থাকায় তাকে চাকুরিতে পুনর্বহালের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে বিগত ২১ বছরেরর বেতন ও অন্যান্য পাওনাদি পরিশোধের নির্দেশ দেন।

প্রভাষক আজমল হোসেন সুজন জানান, অত্র কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের ও তৎকালীন পরিচালনা কমিটি মিথ্যা অজুহাতে আমাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। ২১ বছর পর সত্য উম্মোচিত হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা তদন্ত করে আমার কোন ভুল-দোষ খোঁজে পাননি। তাই তারা আমাকে এ পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যে যোগদান করেছি।

দাশুড়িয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম  জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজমল হোসেন সুজনকে তার স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়ে পত্র প্রেরণ করেছেন। আজমল হোসেন স্বপদে যোগদান করেছেন। তাকে কেন প্রভাষকের পদ অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল এ ব্যাপারে তিনি জানান, তৎকালীন কলেজ পরিচালনা কমিটি ও অধ্যক্ষ তাকে বরখাস্ত করেছিলেন। এ বিষয়ে সুনিদিষ্ট কোন অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাকে চাকুরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, আজমল হোসেন সুজন একজন দক্ষ গণিত শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও প্রকান্ড ছড়িয়ে অন্যায়ভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২১ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা তদন্ত করে আজমল হোসেন সুজনের কোন ভুল ও দোষ পাননি। তাই তাকে স্বপদে পুনর্বহালের জন্য নির্দেশ প্রদান করে পত্র প্রেরণ করেছেন।

 

 

 


শেয়ার করুন...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!