ঢাকারবিবার , ২৭ এপ্রিল ২০২৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈশ্বরদীতে  তিন ইউপি সদস্যকে পুলিশে দিলো  জনতা  

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এপ্রিল ২৭, ২০২৫ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ার করুন...

  পাবনারঈশ্বরদীতে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে তিন ইউপি সদস্যকে (মেম্বার) আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দকরেছেন স্থানীয় জনতা।রবিবার(২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম জানান, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন ইউপি সদস্য ফিরোজ হোসেন বাকি (৫৭), আলাউদ্দিন খান (৫০) ও রফিকুল ইসলাম মাঝি (৪৫) দীর্ঘদিন পর পরিষদের কার্যালয়ে আসেন। এরা তিনজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ইউপি সদস্যদের পরিষদের কার্যালয়ে আসার খবর পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী পরিষদে এসে তিনজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। দুপুর২টার দিকে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
জানা যায়, ফিরোজ হোসেন বাকি দাশুড়িয়া  ইউনিয়ন পরিষদের২নং ওর্য়াডের   ইউপি সদস্য ও নওদাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের  সিনিয়র যুগ্ম সাধারণসম্পাদক।  আলাউদ্দিন খান  ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে সদস্য ও ইউনিয়নের খালিশপুরগ্রামের  নবাব আলী খানের ছেলে। সে দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২নং সাংগঠনিক সম্পাদক। রফিকুল ইসলাম মাঝি  ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও মারমী গ্রামের চাদ মাঝির ছেলে। তিনি  ৫ ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য।
 দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  সুলভ মালিথা জানান, এই তিন ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। এরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যামামলা দিয়ে হয়রানীসহ মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে বিভিন্ন সময় আর্থিক সুবিধা নিয়েছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষকে নানানভাবে হয়রানী করেছে। এরা তিনজন ইউনিয়ন পরিষদে এসেছে শুনেস্থানীয় জনতা তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
 ঈশ্বরদীথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম  জানান,  তিন ইউপি সদস্যকে স্থানীয় লোকজন ইউনিয়ন কার্যালয়েআটকে রেখেছিল। পলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এদের বিরুদ্ধে  কোন মামলা বা অভিযোগ রয়েছে  কিনা তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
ইউপি সদস্য ফিরোজ হোসেন বাকির ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুর  বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির জড়িত থাকার কারনে এই তিন ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।  তিনজনই আদালত থেকে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালনের তারা  পরিষদে গিয়েছিলেন।  বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের অপমান অপদস্থ করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

শেয়ার করুন...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!